সকালে ঘুম থেকে উঠে মাটি স্পর্শ করে বলুন-
ওঁ প্রিয়দত্তায়ৈ ভূম্যৈ নমঃ
পূর্বমুখী হয়ে সূর্যকে প্রণাম করতে হবে।
সূর্য প্রণাম মন্ত্র:
ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতিঽস্মি দিবাকরম্।।
অথবা সংক্ষেপে
ওঁ শ্রীসূর্যায় নমঃ
সময়-শ্রদ্ধা থাকলে নবগ্রহ স্তব করুন-
নবগ্রহ স্তোত্র:
ওঁ জবাকুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতিঽস্মি দিবাকরম্।।
দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্নভসম্ভবম্।
নমামি শশীনংভক্তা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্।।
ধরণীগর্ভোসম্ভূতং বিদ্যুতপুঞ্জসমপ্রভম্।
কুমারং শক্তিহন্তস্চ লোহিতাঙ্গং প্রণম্যহং।।
প্রিয়ঙ্গকলিকাশ্যমং রূপেণাপ্রতিমং বুধম্।
সৌম্যংসৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্।।
দেবতানাংম্রিশিনান্চং গুরুং কনকসন্নিভং।
বন্দেভক্তা ত্রিলোকেশং ত্বমং ণমামি বৃহস্পতিং।।
হিমকুন্দম্রিমানালাভং দৈতনাং পরমংগুরুং।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহং।।
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহং।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম।।
অর্দ্ধকায়াংমহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্।
সিংহিকায়ামহারৌদ্রং ত্বংরাহুংপ্রণম্যহং।।
পলাশধূমসংকাশং তারাগ্রহবির্মদকম্।
রৌদ্রং রৌদ্রত্বকং ঘোরং ত্বং কেতুং প্রণম্যহং।।
এরপর আপনার ইষ্টদেবতাকে প্রণাম করুন। পিতা-মাতাকে বা তাদের উদ্দেশ্যে প্রণাম করুন।
এরপর আধা ঘণ্টা যোগব্যায়াম করুন বা দৌড়ান বা দ্রুতগতিতে হাঁটুন।
সকালে অন্তত আধা লিটার জলপান করুন। কারণ সারারাতে আপনার শরীরে বিপাকীয় ক্রিয়ায় ব্যাপক জলের চাহিদা সৃষ্টি হয়।
মল-মূত্র ত্যাগের পূর্বে বলুন-
আজ্ঞা কুরু বসুন্ধরা।
স্নান:
শারীরিক শুদ্ধতার জন্য স্নান আবশ্যক। এছাড়া শরীরের অতিরিক্ত তাপ ধুয়ে ফেলতে ও ক্লান্তিভাব দূর করে সজীবতা প্রাপ্তির জন্য স্নান অপরিহার্য। স্নানের আগে শরীরের তাপীয় এবং জলীয় ভারসাম্যের জন্য এক গ্লাস জলপান করে নিন। স্নানের শুরুতে নিচের মন্ত্রটি পড়ে মাথায় সামান্য জল ছিটিয়ে দিন।
ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি।
নর্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেঽস্মিন সন্নিধিং কুরু।।
পরে কৃতাঞ্জলি হয়ে-
ওঁ কুরুক্ষেত্র গয়া গঙ্গা প্রভাস পুষ্করিণী চ।
তীর্থান্যেতানি পুণ্যানি স্নানকালে ভবন্ত্বিহ।
এবার জলাশয়ে স্নান করতে নামুন। যারা জলাশয়ের পরিবর্তে স্নানঘরে স্নান করেন তাদেরকে স্নানের শুরুতে পা দুটো ভেজাতে হবে, তারপর সারা শরীর ও শেষে মাথা। শুরুতেই শীতল জল মাথায় ঢাললে ব্রেইন স্ট্রোক অথবা স্নায়বিক ক্ষতি হতে পারে।
শুদ্ধিমন্ত্র
পাপোঽহং পাপকর্মাহং পাপাত্মা পাপসম্ভবঃ।
ত্রাহি মাং পুণ্ডরীকাক্ষং সর্বপাপ হরো হরি।।
বেদমাতা গায়ত্রী মন্ত্র
ওঁ ভূর্ভুব সঃ
তৎ সবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গো দেবস্য ধীমহি
ধিয়ো য়ো ন প্রচোদয়াতৎ৷
সকল শুভ কাজের আরম্ভে-
ওঁ তৎ সৎ
এই মন্ত্রটি ব্রহ্মবাচক। ওঁ = ব্রহ্ম / পরমাত্মা / ঈশ্বর / ভগবান, তৎ = তিনি, সৎ = সত্য। বিস্তারিত অর্থ দেখুন গীতার সপ্তদশ অধ্যায়ের ২৩-২৭ শ্লোকে।
বাহির হতে গৃহে প্রবেশকালে-
ওঁ শ্রীবাস্তুপুরুষায় নমঃ
আহার গ্রহণের মন্ত্র-
ওঁ ব্রহ্মার্পনং ব্রহ্ম হবিঃ ব্রহ্মাগ্নৌ ব্রহ্মণা হুতম্ ।
ব্রহ্মৈব তেন গন্তব্যং ব্রহ্মকর্ম সমাধিনা।।
অথবা সংক্ষেপে-
ওঁ ব্রহ্মার্পণমস্তু।
দুঃসংবাদে-
ওঁ আপদং অপবাদশ্চ অপসরঃ।
ঘুমাবার আগে-
ওঁ শ্রীপদ্মনাভায় নমঃ
বিপদে পড়লে-
ওঁ শ্রীমধুসূদনায় নমঃ
অথবা
কেশব ক্লেশহরণ নারায়ণ জনার্দন।
গোবিন্দ পরমানন্দ মাং সমুদ্ধর মাধব।।
মৃত্যু সংবাদ শুনলে-
পুরুষ বা বহুলোকের ক্ষেত্রে: দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু।
স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে: দিব্যান্ লোকান্ সা গচ্ছতু।
জন্ম সংবাদ শুনলে-
পুত্র হলে: আয়ুষ্মান ভব।
কন্যা হলে: আয়ুষ্মতী ভব।
তারকব্রহ্ম মহানাম:
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
ক্ষমা প্রার্থনা
শাস্ত্রপাঠ শেষে ভুল-ত্রুটি জনিত ক্ষমা প্রার্থনা করবেন-
ওঁ যদক্ষরং পরিভ্রষ্টং মাত্রাহীনঞ্চ যদ্ ভবেৎ।
পূর্ণং ভবতু তৎ সর্বং তৎ প্রসাদাৎ সুরেশ্বর।।
পূজা-অর্চনা ইত্যাদি মাঙ্গলিক ক্রিয়ায় ভুল-ত্রুটি জনিত ক্ষমা প্রার্থনা-
মন্ত্রহীনং ক্রিয়াহীনং ভক্তিহীনং জনার্দ্দন।
যৎ পূজিতং ময়া দেব পরিপূর্ণং তদস্তুমে।।
প্রয়োজনীয় প্রণাম মন্ত্রসমূহ:
পিতা প্রণাম মন্ত্র
পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম পিতাহি পরমং তপ।
পিতোরি প্রিতিমাপন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতাঃ।।
মাতা প্রণাম মন্ত্র
মাতা জননী ধরিত্রী দয়ার্দ্রহৃদয়া সতী।
দেবীভ্যো রমণী শ্রেষ্ঠা নির্দ্দোষা সর্বদুঃখ হারা।।
দেবী সরস্বতী প্রণাম মন্ত্র
ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোঽস্তুতে।।
পরমেশ্বর শিবের প্রণাম মন্ত্র
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হেতবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।।
নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র
ওঁ উসং বীরং মহাবিষ্ণুং জলন্তং সর্বতঃ মুখম।
নৃসিংহং ভীষনং ভদ্রং মৃত্যুঃ মৃত্যং নমোম্যহম।।
শ্রীজগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীর প্রনাম মন্ত্র
নীলাচলনিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে।
বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ।।
শ্রীকৃষ্ণের প্রণাম মন্ত্র
ওঁ নমো ব্রহ্মণ্যদেবায় গো-ব্রাহ্মণ্যহিতায় চ।
জগদ্ধিতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।
শান্তি মন্ত্র
শান্তি শব্দের অন্যতম অর্থ - বিঘ্নরহিত উদ্বেগশূন্য আনন্দময় জীবন। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, বিঘ্ন তিন প্রকার। যথা - আধ্যাত্মিক বিঘ্ন, যথা- শারীরিক ব্যাধি, মানসিক সমস্যা, অঙ্গহানি ইত্যাদি। আধিভৌতিক বিঘ্ন, যথা- সাপ, বাঘ বা মানুষ ইত্যাদি জীব হতে উদ্ভুত বিঘ্ন। আধিদৈবিক বিঘ্ন, যথা- প্লাবন, মহামারী, খরা, বজ্রপাত ইত্যাদি।
এই তিনরকম বিঘ্ন নাশ করতে হিন্দুধর্মের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান ও ক্রিয়াকর্মে শান্তিমন্ত্র পাঠ করা হয় এবং শেষে তিনবার ‘ওঁ শান্তিঃ’ বলা হয়।
ঋগ্বৈদিক শান্তিমন্ত্র:
ওঁ ভদ্রং কর্ণেভিং শৃণুয়াম দেবাঃ।
ভদ্রং পশ্যেমাক্ষভির্য জত্রাঃ
স্থিরৈঃ অঙ্গৈস্তুষ্টু বাংসস্তনুভিঃ।
ব্যশেম দেবহিতং যদায়ুঃ।।
ওঁ স্বস্তি নো ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ।
স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্বদেবাঃ।
স্বস্তি নোস্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ।
স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
(ঋগ্বেদ ১।৮৯।৮, ৬)
অর্থাৎ,
হে দেবগণ, আমরা যেন কান দিয়ে কল্যাণবচন শুনি; হে যজনীয় দেবগণ, আমরা চোখ দিয়ে যেন সুন্দর বস্তু দেখি; সুস্থদেহের অধিকারী হয়ে আজীবন আমরা যেন তোমাদের স্তবগান করে দেবকর্মে নিয়োজিত থাকি। বৃদ্ধশ্রবা ইন্দ্র আমাদের মঙ্গল করুন; সকল জ্ঞানের আধার ও জগতের পোষক পূষা আমাদের মঙ্গল করুন; অহিংসার পালক তার্ক্ষ্য (গরুড়) আমাদের মঙ্গল করুন। ওঁ আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক - এই ত্রিবিধ বিঘ্নের বিনাশ হোক।
ওঁ আপ্যায়ন্তু মমাঙ্গানি বাক্-প্রাণশ্চক্ষুঃ
শোত্রমথবলমিন্দ্রিয়ানি চ সর্বাণি।
সর্বং ব্রহ্মৌপনিষদং। মা অহং ব্রহ্ম
নিরাকুর্যাং, মা মা নিরাকরোৎ অনিরাকরণম্ অস্তু অনিরাকরণং মে অস্তু
তদাত্মনি নিরতে য উপনিষৎসু ধর্মাস্তে
ময়ি সন্তু তে ময়ি সন্তু।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
( - কেন উপনিষদ্ ও ছান্দোগ্য উপনিষদ্, শান্তিপাঠ)[৪]
অর্থাৎ,
আমার অঙ্গসমূহ, বাক, প্রাণ, চক্ষু, কর্ণ ও বল এবং ইন্দ্রিয়সকল পুষ্টিলাভ করুক। সমস্ত পদার্থ স্বরূপতঃ উপনিষৎপ্রতিপাদ্য ব্রহ্মই। আমি যেন ব্রহ্মকে অস্বীকার না করি, ব্রহ্ম যেন আমাকে প্রত্যাখ্যান না করেন; তাঁর সঙ্গে আমার এবং আমার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিত্যসম্বন্ধযুক্ত হোক, অবিচ্ছেদ্য হোক, সেই পরমাত্মায় সততনিষ্ঠ আমার মধ্যে উপনিষদের বাক্যসমূহ মূর্ত হয়ে উঠুক। ওঁ আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক - এই ত্রিবিধ বিঘ্নের বিনাশ হোক।
১।
ওঁ সহনাববতু, সহনৌ ভুনক্তু, সহ বীর্যং করবাবহৈ।
তেজস্বীনাবধীতমস্তু, মা বিদ্বিষাবহৈ।।
ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ।। তৈত্তিরীয় উপনিষদ্ ৩।১
অর্থাৎ,
(পরমাত্মা) আমাদের উভয়কে সমভাবে রক্ষা করুন এবং উভয়কে তুল্যভাবে বিদ্যাফল দান করুন। আমরা যেন সমভাবে সামর্থ্য অর্জন করতে পারি। আমাদের উভয়েরই লব্ধ বিদ্যা সফল হোক। আমরা যেন পরস্পরকে বিদ্বেষ না করি। ওঁ আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক - এই ত্রিবিধ বিঘ্নের বিনাশ হোক।
২।
ওঁ পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদং পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে।
পূর্ণস্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।।
ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ।। ঈশোপনিষদ, শান্তিপাঠ
অর্থাৎ,
পরব্রহ্ম পূর্ণ, নামরূপ ব্রহ্মও পূর্ণ। পূর্ণ থেকে পূর্ণ উদ্গত হন। পূর্ণের পূর্ণত্ব বিদ্যা সহায়ে গ্রহণ করলে পূর্ণই (পরব্রহ্মই) অবশিষ্ট থাকেন। ওঁ আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক - এই ত্রিবিধ বিঘ্নের বিনাশ হোক।
৩।
ওঁ তচ্ছং যোরাবৃণীমহে। গাতুং যজ্ঞায়।
গাতুং যজ্ঞপতয়ে। দৈবীঃ স্বস্তিরস্তু নঃ।
স্বস্তির্মানুষেভ্যঃ। ঊধ্বং জিগাতু ভেষজম।
শং নো অস্তু দ্বিপদে। শং চতুষ্পদে।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।।
অর্থাৎ,
মঙ্গলয়ম সেই ব্রহ্মকে আমরা বরণ করি। তাঁকে যজ্ঞে স্তুতি করার জন্য যজ্ঞপতি বিষ্ণুকে আমরা বরণ করি। আমাদের আধিদৈবিক বিষয়ে শান্তি হোক। মানুষের সঙ্গে সকল সম্পর্ক শুভ হোক। ঊর্ধলোক সম্বন্ধে হিতকর গান হোক। মানুষ, পক্ষী ও গবাদি পশু সকলের মঙ্গল হোক। ওঁ আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক ও আধিভৌতিক - এই ত্রিবিধ বিঘ্নের বিনাশ হোক।
৪।
ওঁ অসতো মা সদ্গময়।
তমসো মা জ্যোতির্গময়।
মৃত্যোর্ম অমৃতং গময়।
আবিরাবীর্ম এধি।।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।।
অর্থ: অসত্য হতে আমাকে সত্যে লয়ে যাও। [অজ্ঞানরূপ] অন্ধকার হতে আমাকে [জ্ঞানময়] আলোতে লয়ে যাও। মৃত্যু হতে আমাকে অমৃতে লয়ে যাও। হে স্বপ্রকাশ ব্রহ্ম, আমার নিকটে প্রকাশিত হও। ত্রিবিধ বিঘ্নের শান্তি হোক।
৫।
সর্বে শাং স্বস্তির্ভবতু।
সর্বে শাং শান্তির্ভবতু।
সর্বে শাং পূর্ণং ভবতু।
সর্বে শাং মঙ্গলং ভবত।
সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ।
সর্বে সন্তু নিরাময়া।
সর্বে ভদ্রাণি পশ্যন্তু।
মা কশ্চিদ দুঃখভাক্ভবেৎ।।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।।
(বৃহদারন্যক উপনিষদ ১/৪/১৪)
অর্থ: সবাই যেন সুখী হয়, সকলে যেন নিরাময় হয়, সকল মানুষ পরম শান্তি লাভ করুক, কশ্মিনকালেও যেন কেহ দুঃখ বোধ না করেন। সকলের শান্তি লাভ করুন। ত্রিবিধ বিঘ্নের শান্তি হোক।
কৃতজ্ঞতা:
শ্রীমাণিক রক্ষিত
প্রতিষ্ঠাতা, আত্মশক্তি ফাউন্ডেশন